১৫টি জীবন্ত কাছিম উদ্ধার
দি নিউজ লায়নঃ পাচারের ছক ভেঙে একইদিনে শিলিগুড়ির থেকে উদ্ধার জীবন্ত ১৫টি কাছিম। তিনটি বড় মাপের ভারতীয় শফসেল প্রজাতির পেল্লায় কচ্ছপ সহ ১২টি ছোট আকৃতির ধুম তরুণাস্থি কাছিম ও গঙ্গা কাছিম উদ্ধার করলো বন্দপত্র। জানা গিয়েছে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে শিলিগুড়ি নিকটবর্তী বৈকুন্ঠপুর বনবিভাগের শালুগাড়া রেঞ্জের রেঞ্জার সঞ্জয় দত্তর তত্ত্বাবধানে অভিযান চালায় বনকর্মীরা।
মাটিগাড়া জাতীয় সড়কের ও বুধবার ভোর রাত নাগাদ বালুরঘাট থেকে শিলিগুড়িগামী একটি বাসকে আটক করে বনকর্মীরা। সূত্রে মেলা খবরের ভিত্তিতে সন্দেহের নিশানায় থাকা ওই রুটের বাসটিকে আটক করে তল্লাশি চালাতেই বেড়িয়ে আসে পেল্লায় আকৃতির কাছিম। তিনটি পেল্লায় আকৃতির কাছিম একাধিক প্রজাতির গঙ্গা ও ধুম প্রজাতির ছোট বড় কচ্ছপ উদ্ধার হয়। এই কাছিম নিয়ে কারবার চালানো ভাবন সরকারকে গ্রেপ্তার করে বনকর্মীরা।
ধৃত গঙ্গারামপুর দক্ষিণ দিনাজপুরের বাসিন্দা। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে বিহার থেকে আনা হয়েছে এই কাছিমগুলি।গঙ্গারামপুর হয়ে শিলিগুড়িতে হাতবদলের উদ্দেশ্য ছিল। ধৃতকে শিলিগুড়ি আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতের বিরুদ্ধে ২৯,৩৯,৪৯বি, ৫০, ৫১এ এবং সেকশন ৩এবং৪পিডিপিপি এক্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে শিলিগুড়ি বাগডোগরা এলাকায় দুই কেজি প্যাঙ্গলিনের আঁশ সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বন দপ্তর।
বাগডোগড়া রেঞ্জ অফিসার সমিরন রাজ জানান গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বাগডোগরা বিহার মোড় এলাকায় সশস্ত্র সীমা বল এর জওয়ানেরা অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ প্যাঙ্গোলিন তিনজনকে আটক করে। পরে তাদের বাগডোগরা বনদপ্তর এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। ধৃতদের নাম রফিকুল হক, বিজয় আলী, সেকেন্দার আলী। ধৃতদের মধ্যে একজন ডারগিল ও অন্য দু'জন আসামের বাসিন্দা। আসাম থেকে এই প্যাঙ্গলিনের আঁশ নিয়ে শিলিগুড়িতে পাচারের উদ্দেশ্য ছিল তাদের। প্যাঙ্গোলিন সিডিউল এক প্রজাতির প্রাণী। ধৃতদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Post a Comment